তারুণ্যের সমাবেশ সমাবেশ মঞ্চে জায়গা হলো না মঞ্জুর, সড়কেও ধাওয়া


তারুণ্যের সমাবেশ সমাবেশ মঞ্চে জায়গা হলো না মঞ্জুর, সড়কেও ধাওয়া
খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর অনুসারীদের নিয়ে সোমবার যোগ দেন বিএনপির বিভাগীয় তারুণ্যের সমাবেশে। কিন্তু সমাবেশ মঞ্চে জায়গা হয়নি তাঁর। অনুসারীদের নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা মঞ্চের সামনে সড়কে অবস্থান করেন তিনি। এক পর্যায়ে মহানগর ও জেলা বিএনপির বর্তমান নেতারা ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয় মঞ্জু ও তাঁর অনুসারীদের। অথচ মাত্র দেড় বছর আগেও খুলনায় বিএনপির সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা ছিলেন মঞ্জু। মঞ্জু বলেন, বিএনপির ডাকে সরকার পতনের আন্দোলনে এসেছি, এটাই বড় বিষয়। তিনি বলেন, আমরা ১০-১২ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সমাবেশে যোগ দিয়েছি। আমরাই সবচেয়ে বড় মিছিল করেছি। সোমবার বিকেলে খুলনা নগরীর সোনালী ব্যাংক চত্বরে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল। সরকারের পদত্যাগ দাবিতে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এ সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেয়। দুপুর ২টা থেকে মূল সমাবেশ শুরু হলেও সকাল থেকেই নেতাকর্মী জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড নিয়ে এবং গেঞ্জি-ক্যাপ পরে জড়ো হয়। তারা গান, কবিতার পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবির স্লোগানে মাতিয়ে রাখে সমাবেশ। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সমাবেশ মঞ্চে সংগীত পরিবেশন শুরু করে জাসাসের শিল্পীরা। মঞ্চের সামনে বেলা সোয়া ১১টার মধ্যে জড়ো হয় অনেক নেতাকর্মী। তাদের কেউ কেউ লাঠিতে পতাকা বেঁধে, কেউ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে যোগ দেয় সমাবেশে। আসার পথে ডুমুরিয়া, রূপসাসহ কয়েকটি স্থানে বাস আটকে দেওয়া হয়েছে বলে দলটি অভিযোগ করেছে। সমাবেশের প্রধান বক্তা যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আগামী দিনের আন্দোলনে রাজপথে থাকার জন্য তরুণদের শপথ পাঠ করান। ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিএনপির বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এসএম শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।