নদী ভাঙন রোধের দাবীতে ৩ গ্রামবাসীর মানববন্ধন।


নদী ভাঙন রোধের দাবীতে ৩ গ্রামবাসীর মানববন্ধন।
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের ডাকের হাটি ও তুলশীখালি দুটি গ্রামের দেখা দিয়েছে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙন। ইতিমধ্যে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে বসতভিটা,বিদ্যুতের টাওয়ার,ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ন এলাকা। অব্যাহত ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।আজ শনিবার (৪ নভেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে তুলসীখালী, গোয়ালখালী, ডাকেরহাটি গ্রামবাসীর আয়োজনে উপজেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের তুলশীখালী বাজার সড়কে এ মানববন্ধন হয়। এতে শত শত মানুষ অংশ নেন এবং ভাঙনরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।মানববন্ধনে আসা রানু বেগম বলেন, গত প্রায় এক বছর থেকে এই এলাকায় ধলেশ্বরী নদী ভাঙ্গছে। বর্তমানে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙনে আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। আমি পরিবার নিয়ে এখন মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমি ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহীদুল খান দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ কে বলেন, আমার এই ওয়ার্ডের প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ধলেশ্বরীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। ধলেশ্বরীর ভাঙনে এ অঞ্চলের চল্লিশটিরও বেশি পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। এখনও শতাধিক পরিবার ভাঙন আতঙ্কে আছেন। আমন ধানের ক্ষেতসহ শতশত বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই দুটি গ্রাম নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। আমি এই মানববন্ধন কর্মসূচির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট ভাঙনরোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।চিত্রকোট ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হুদা বাবুল দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ কে বলেন, আমার ইউনিয়নের ধলেশ্বরীর তীরের মানুষের দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধলেশ্বরীর ভাঙন। নদীর অব্যাহত ভাঙনে দিনে দিনে দীর্ঘ হচ্ছে নিঃস্ব মানুষের তালিকা। আমি ভাঙন রোধে উপজেলা প্রশাসনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুদৃষ্টি কামনা করছি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাব্বির আহম্মেদ দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ কে বলেন,আমি সরোজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখব এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানাবো ।ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে অংশ নেয় চিত্রকোট ইউপি চেযারম্যান সামছুল হুদা বাবুল, ইঞ্জিনিয়ার ইয়াকুব ইয়াকুব হোসেন,৯ নং ইউপি সদস্য শহীদুল খান, তুলশী রিভার ভিউর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক নুর আলমসহ ২ শতাধিক নারী পুরুষ।