মোটরসাইকেলে এসে অপেক্ষা, ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন যুবক


মোটরসাইকেলে এসে অপেক্ষা, ট্রেন আসতেই লাইনে শুয়ে পড়েন যুবক
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন ২০০ গজ উত্তরে মঙ্গলবার পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে উৎপল চন্দ্র বর্মণ (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে এসে রেললাইনের পাশে অপেক্ষা করতে থাকেন। ট্রেন আসতেই লাইনে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়েন। নিহত উৎপল ফুলছড়ি উপজেলার পশ্চিম ছালুয়া নয়াপাড়া গ্রামের কার্তিক চন্দ্র বর্মণের ছেলে। তিনি ফুলছড়ি উপজেলা হেড কোয়ার্টার কালির বাজারের একটি সারের দোকানের কর্মচারী ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে দোকানে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলেযোগে বাড়ি থেকে রওনা দেন; কিন্তু তিনি দোকানে না গিয়ে সদর উপজেলার বাদিয়াখালী রেলস্টেশনের উত্তরে এসে ট্রেনের নিচে আত্মহত্যা করার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। পরে ঢাকা থেকে পদ্মরাগ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ওই এলাকায় পৌঁছলে তিনি রেল লাইনের উপর মাথা দেন। ফলে তার শরীর থেকে মাথা আলাদা হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। গাইবান্ধা রেলওয়ে পুলিশের এসআই মো. ফারুক মিয়া ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।