হরিণাকুন্ডুতে কুপিয়ে জখম; কাউকে চিনতে পারেন নি আহত মাজেদ
অনলাইন নিউজ ডেক্স
ঝিনাইদহের হরিনাকুণ্ডু উপজেলাতে মাজেদ আলী (৩৮) নামে এক ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে আহত করেন দুর্বৃত্তরা। মাজেদ আলী রিশখালি গ্রামের জুমাত আলীর ছেলে। গতো মে মাসের ৬ তারিখ শনিবার দুপুরে উপজেলার তৈলটুপি সাধুহাটি সড়কের আমেরচারা ও পারদখলপুর মাঠের মাঝে সড়কের ওপর এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার দিন সাংবাদিকদের করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে দূর্বীত্তদের কাউকে চিনতে পারেন নি বলছেন আহত মাজেদ। তাছাড়া হরিণাকুণ্ডু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাজেদ সাংবাদিকদের জানান,
তিনি ইজিবাইক চালিয়ে সাধুহাটি থেকে হরিণাকুণ্ডুর দিকে আসছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌছলে ৫/৭জন দুর্বৃত্তা চলন্ত গাড়ি থামিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। তিনি দুর্বৃত্তদের কাউকে চিনতে পারেননি। এদিকে ১১ মে ২০২৩ ইং তারিখে ভিকটিম মাজেদ আলীর স্ত্রী মোছাঃ সনিয়া খাতুন থানায় একটি মামলা করেন, সেখানে উল্লেখ্য থাকে যে রিশখালী গ্রামের শামিম মালিথা, মোঃ বছির উদ্দীন(নটো), মোঃ শাহিন, অপরদিকে কেষ্টপুর গ্রামের মোঃ সোহাগ, মোঃ ফারুক হোসেন কে বাদী করে একটি মামলা রুজু করা হয়।জাতির সামনে প্রশ্ন থাকলো তাহলে আসল অপরাধী কে ? আসল অপরাধীরা কি তাহলে ধরা ছোঁয়ার বাইরে বলছে সুশীল সমাজ।
এদিকে ৪ নং দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভভিকটিমের কিছু বক্তব্যে দেখলাম সে নিজেই বলছে এমন ঘটনা তিনি কারও চেনেন নি। মিথ্যা মামলার কারনে আমার ইউনিয়নের সাধারণ জনগন যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় আমি সেদিকে খেয়াল রাখবো।তিনি এধরনের মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন একটি হাতের আংগুল কাটা শুনলাম কিন্তু এজাহারে সেই বিষয় কোনও উল্লেখ্য না থাকায় বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছি।
ইজিবাইক চালককে কুপিয়ে আহত মামলার এসআই (নিঃ) শিকদার মনিরুল ইসলাম জানান, মামলা হলেই তো সে অপরাধী হবে এমন নয়। আমরা অযথা কাউকে হয়রানী করবো না। ঘটনাটি তদন্ত চলছে অপরাধী প্রমানিত হলে, অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসবো। তবে কার আংগুল কাটা সেই হোতাকে বের করতে আমরা জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। সেই ব্যক্তিকে বের করতে পারলে মূল রহস্য উদঘাটন করতে পারবেন বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এমন ঘটনায় ২১ মে বিকালে হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু আজিফ এঁর সাথে একান্ত স্বাক্ষাৎকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আসলে এব্যাপারে আমাদে তদন্ত চলছে,অপরাধী যেই হোক জড়িতদের খুব শিগ্রহী আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। তবে মাজেদের মামার সাথে জমি জমা নিয়ে একটি বিরোধ আছে।
