দূর্নীতি ফাঁস ঠেকাতে হরিণাকুন্ডুতে সাংবাদিককে হুমকি


দূর্নীতি ফাঁস ঠেকাতে হরিণাকুন্ডুতে সাংবাদিককে হুমকি
কোনও প্রকার নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে কাবিখা কর্মসুচির কাজ। ঝিনাইদহের হরিনাকুণ্ডু উপজেলাতে কাবিখা প্রকল্পের অংশ হিসেবে \"শ্রীফলতোলা গ্রামের\" রহমানের বাড়ি হতে মন্টু\'র বাড়ি পর্যন্ত সরকারের গ্রামীণ জনপদের রাস্তা ঘাট উন্নয়ন ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গ্রাম উন্নয়নের এই প্রকল্প। এখানে শ্রমিকের পরিবর্তে মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে মাটি উত্তোলন করে দায়সারাগোছের কাজ করছেন বলে এলাকাতে গুনজন উঠেছে। ফলে ইঞ্জিন চালিত ভেকু দিয়ে কাজ করায় বঞ্চিত হচ্ছে হতদরিদ্র শ্রমিক। এছাড়াও প্রকল্পের কাজ না করে মরা গাং (কুমরোল) থেকে মাটি বিক্রয়ের অভিযোগও রয়েছে,আছে সরকারী জমি দখলের। মরা গাং কুমরোল থেকে মাটি ক্রেতার সাথে কথা বলিলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন আমি ১(এক) হাজার টাকা প্রতি গাড়িতে দিয়ে, মাটি কিনেছি মহিলা মেম্বারে স্বামী আঃ রশিদের কাছ থেকে। এঘটনায় সংরক্ষিত আসনের মহিলা মেম্বারের সাথে ২৬ মে যোগাযোগ করলে তাঁর স্বামী আঃ রশিদ জানায়, পরিষদের কাজ আমিই করে থাকি।যা বলার আমাকেই বলুন। আমি মাটি বিক্রয় করিনি, কিছু মাটি আমি নিয়ে এসেছি নিচু জমি ভরাটের জন্য এতে আমার জেল-ফাস হয় হোক। দেখলাম তো গতো দুই দিন ধরে শ্রমিকের পরিবর্তে মাটি কাটা ভেকু দিয়ে এই রাস্তার কাজ করছে চেয়ারম্যান মেম্বাররা বলে জানান উমিদ আলী\'র পুত্র রহমান। ঐ প্রকল্পের মাটি বিক্রয়, শ্রমিকের পরিবর্তে মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে রাস্তা নির্মাণ, প্রকল্পে কি পরিমান বরাদ্দ ছিলো, পিআইসি তার ব্যক্তিগত কাজে মাটি ব্যবহার কেন করছেন এসব তথ্য জানতে চাইলে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তথ্য সংগ্রহে বাধাদানসহ সাংবাদিককে হুমকি দেন। কথোপকথনের একপর্যায়ে চেয়ারম্যান বসির আহম্মেদ বলেন, মাটি বিক্রয় করে কি তারা কোটীপতি হয়ে গেছে? সাংবাদিকরা আমার ইউনিয়নে কি? অন্য যায়গায় যান। আমার প্রকল্পের কাজ দেখবে ইউএনও, ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। আপনারা আমার ইউনিয়নের কাজ দেখার কে? চিটারী বাদ দেন। আপনারা খুব বেশী বাড়াবাড়ি করছেন বলে হুমকী-ধামকী দেন। সূত্র জানায়, মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে কাবিখা কর্মসূচীর কাজ সম্পূর্ণ করা এটা অন্যায় করেছে।এদিকে হরিণাকুণ্ডু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান এর সাথে(২৮ মে)দুপুরে মোবাইলে যোগাযোগ করিলে তিনি জানান,আমি তো কাগজপত্র (ফাইল) না দেখে কিছুই বলতে পারছি না। তাছাড়া তিনি অসমাপ্ত বক্তব্য দিয়ে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুস্মিতা সাহা সাংবাদিকদের বলেন,হতদরিদ্র শ্রমিক বঞ্চিত করে (ভেকু) দিয়ে কাজ করছে কি না আমার তা জানা নেই। কোনও অনিয়ম হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।