অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ: ডা. শাহাদাত হোসেন
অনলাইন নিউজ ডেক্স
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশে আজ গণতন্ত্র নেই, দেশের গণতন্ত্রের জন্য প্রয়োজন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
আজকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ। কারণ গত ১৪ বছর এদেশের জনগণ ভোট দিতে পারে নাই। নতুন প্রজন্মের ৫ কোটি তরুণ ভোটার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তারা তাদের ভোটার অধিকার ফিরে পেতে চায়।তাই তারা মাঠে নেমেছে।
তাই অবিলম্বে পদত্যাগ করে তত্ত¡াবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। এ ছাড়া এদেশের জনগণ অন্য কিছু মেনে নিবে না। এটার কোনো বিকল্প নাই।
তিনি ১১ জুন (রবিবার) বিকালে আগামী ১৪ জুন চট্টগ্রাম মহানগরে তারুণ্যের সমাবেশ উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সঙ্কট একটি জাতীয় সঙ্কটে পরিণত হয়েছে। এই দুর্বিষহ জাতীয় সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে এই অবৈধ সরকারকে হটানোর জন্য জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ে দুর্বার গণ-আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে, পতন ঘটাতে হবে বর্তমান গণবিরোধী নিশিরাতের সরকারকে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাসেম বক্কর বলেন, গত দেড় দশক ধরে অবৈধভাবে সরকারের গদি আঁকড়ে আছে আওয়ামী লীগ। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির দায় তো আওয়ামী লীগ সরকারকেই বহন করতে হবে। কে না জানে যে ইউক্রেন যুদ্ধের অনেক আগ থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুলে গিয়েছিল। দুর্নীতি, বাজার সিন্ডিকেট ও অব্যবস্থাপনার ফলে দ্রব্যমূল্যের যাঁতাকলে মানুষ আজ পিষ্ট।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে বিদ্যুৎখাতে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে গত ১০ বছরে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা দলীয় ব্যবসায়ীদের পাইয়ে দিয়েছে সরকার। পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে থেকে যদি আর কোনো নতুন চুক্তি নাও করা হয় তবুও কুইক রেন্টাল চলবে ২০২৬ পর্যন্ত এবং ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে ২০৫১ পর্যন্ত। অন্যান্য মেগা প্রজেক্ট-এর কথা নাই বা উল্লেখ করলাম।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি\'র সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচএম রাশেদ খান এর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহানগর ছাত্রদলের আহবায়ক মোঃ সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিনসহ মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
