মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি ও দুর্নীতি মুক্ত উপ-পরিচালকের সেবা।


মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি ও দুর্নীতি মুক্ত উপ-পরিচালকের সেবা।
মুন্সীগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি ও দুর্নীতি মুক্ত উপ-পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকারের সেবাসমূহ।আজ রবিবার১৮ই ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের দালালদের ঘিরে থাকা পাসপোর্ট অফিসের গেইট সম্পন্ন ফাঁকা। সেবাগ্রহীতারা নিজেদের ইচ্ছে মাফিক যাতায়াত করছেন। ভিতরে লাইনে দাঁড়িয়ে সেবাগ্রহীতারা বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করছেন। কারো কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা, কেউ কি কোন কাজ করার নামে টাকা পয়সার দাবী করছে কিনা এরকম সমস্যার কথা জানতে পাসপোর্ট উপ-পরিচালক মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকার নিজেই অফিসের বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা সেবাগ্রহিতাদের সঙ্গে কথা বলছেন। কোন কক্ষের কাজ কেমন চলছে নিজেই ঘুরে ঘুরে তা পরিদর্শন করেন ।এছাড়া বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং সার্ভারের নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে অনেক সময় সেবাগ্রহিতাদের কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়। আবার প্রতিটি বিভাগে সেবাগ্রহিতাদের সংখ্যার বৃদ্ধির সঙ্গে কাজের পরিধি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক সময় একটু অপেক্ষা করতে হয়। অপরদিকে অফিস শুরুর পর থেকেই কর্মকর্তার পরামর্শ ও সহযোগিতা নেওয়ার জন্য কক্ষের মধ্যে একাধিক সেবাগ্রহিতাদের প্রবেশ করে সেবা দিচ্ছেন কর্মকর্তা। একটি বিষয় যদি কেউ বুঝতে না পারেন তা বার বার বুঝিয়ে দেওয়ার চেস্টা করছেন কর্মকর্তারা। একটি বিষয় যদি কেউ বুঝতে না পারেন তা বার বার বুঝিয়ে দেওয়ার চেস্টা করছেন কর্মকর্তা। অথচ আগে কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশের জন্য দালালদের মাধ্যমে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতো। কিন্তু বর্তমানে যে কেউ যে কোন সময় কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করে সেবা নিতে পারছেন। পাসপোর্ট অফিসের এমন দৃশ্য প্রতিনিয়তই চোখে পড়ার মতো। যার কারণে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবার মান অনেকটাই বেড়েছে বলে জানান সেবাগ্রহিতারা।মুন্সীগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক, মোহাম্মদ কামাল হোসেন খন্দকার বলেন, জনগুরুত্বপূর্ন এই অফিসটিকে জনবান্ধব করতে আমি সব সময় চেস্টা করে আসছি। এটি এমন এক অফিস সেখানে প্রতিদিন সমাজের নিচু থেকে উচু সকল শ্রেণির মানুষকে আমাদের সেবা দিতে হয়। তাই কেউ একটি বিষয়ে সহজে বুঝতে পারেন আবার অনেককেই একটি বিষয় বার বার সহজ করে বুঝিয়ে দিতে হয় এটাই তো এই অফিসের দায়িত্বরত সকলের প্রধান দায়িত্ব। বিরক্ত হয়ে কাউকে কটু কথার মাধ্যমে কষ্ট দিলে পরে তা আমার বুকের মধ্যে প্রচন্ড ব্যথা দেয় তাই আমি সাধ্যমতো চেস্টা করি আমার কাছে প্রতিদিন সেবা নিতে আসা শত শত সেবাগ্রহিতাদের একটু ভালোবাসার মাধ্যমে সেবা দিতে। এছাড়া আমি আমার কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিনিয়তই পুরো অফিসটি পর্যবেক্ষন করার চেস্টা করি। কোথাও কোন ভিড় চোখে পড়লে আমি নিজে সেখানে গিয়ে সমস্যা সমাধান করার চেস্টা করি। এছাড়াও আমি প্রতিদিন কোন এক সময় পুরো অফিসের সকল কিছু সরেজমিনে গিয়ে পর্যবেক্ষন করি। তিনি আরো বলেন, ৩১ মে ২০২৩ বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই অফিসটিকে দালাল মুক্ত করে ভোগান্তি আর হয়রানী বিহীন সেবা প্রদানের এক আদর্শ জায়গা হিসেবে তৈরিতে কাজ করে আসছেন। তবে অনেক মানুষই ভয়ে অফিসে না এসে অন্য মানুষদের প্ররোচনায় পড়ে বেশি টাকা খরচ করেন। তাই আমি জেলাবাসীর কাছে একটি বার্তা পৌছে দিতে চাই যে পাসপোর্ট সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে যে কোন মানুষ সরাসরি আমার কক্ষে চলে আসবেন। কাউকে তেল মাখাতে হবে না, কাউকে ধরতে হবে না কাউকে একটি টাকা কিংবা এককাপ চা-ও খাওয়াতে হবে না। সরকারি অফিসে যে কোন মানুষ এসে ভোগান্তি, হয়রানী ও বিড়ম্বনা ছাড়াই সেবা পেতে পারেন সেই ধারা এবং ধারনাটি আমি এই পাসপোর্ট অফিসে প্রতিষ্ঠা করে যেতে চাই। তবে দিন দিন পাসপোর্টের চাহিদা যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই ক্ষেত্রে জনবল সংকট পূরণ করা গেলে এই সেবার মান আরো বৃদ্ধি পাবে।