আনসারদের যৌক্তিক দাবী মেনে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা


আনসারদের যৌক্তিক দাবী মেনে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তবর্তীকালিন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেনেন্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব) বলেছেন আনসারদের যৌক্তিকদাবী মেনে নেওয়া হবে এবং অযৌক্তিক দাবী মেনে নেওয়া হবেনা। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করনে গুরুত্বপুর্ণ ভ’মিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক বছর গুলোতে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাহসীকতা দক্ষতা প্রদর্শণ করেছেন। দেশ গড়ার কাজে আনসারদের সবচেয়ে বড় ভ’মিকা ছিল। দেশের সব জায়গায় তারা আছে এবং দেশের উন্নয়ন মুলক কাজে নিয়োজিত রয়েছে। আগষ্টের গনঅভ্যস্থানে বাহিনীর সদস্যরা থানাসহ সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান সুরক্ষায় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেছেন। দেশের ক্লান্তিকালে সড়ক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে বাহিনীর সদস্যরা শতভাগ পেশাদারীত্বৈ পরিচয় দিয়েছে। বুধবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুর আনসার একাডেমীর সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার শ্লোগানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৪৫তম জাতীয় সমাবেশ উদযাপিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এছাড়া তিনি বলেন তারা দুর্গম পারর্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ১৬টি আনসার ব্যাটালিয়ন সেনাবাহিনী বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বিত ভাবে দায়ীত্ব পালন করে আসছে। পার্বত্যচষ্ট্রগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৬হাজার আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য ও ১৩হাজার হিল আনসার মোতায়েন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন আনসার সদস্যরা ভ’মি দস্যু প্রতিরোধ, ভেজাল বিরোধী অভিযান,মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় বাহিনীর সদস্যরা এবং উপজেলায় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিত ভাবে কাজ করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবসৃষ্ট বিপর্যয় মোকাবেলায় বাহিনীর সদস্যরা সব সময় অগ্রনী ভুমিকা পালণ করে আসছে। অগ্নিনির্বাপক,বন্যাকবলিত জনগনের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরন গৃহ নির্মান সহায়তা, কৃষকদের ধানের চারা বিতরন, এবং দরীদ্র কৃষকদের জমির পাকা ধান কেটে দেওয়ার মাধ্যমে বাহিনীর সদস্যরা মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করেছে। আনসারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন তরুনদের দ্ক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে । ভিডিপি সদস্যদের জন্য ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নতুন অবকাঠামো সংযোজন করা হয়েছে।বাংলাদেশ শিল্প কারগরী সহায়তা কেন্দ্রের সহযোগীতায় এক লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। বাহিনীর মৌলিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে আধুনিক ও যোগপযোগী নীতিমালার আওতায় আনা হয়েছে। যা তরুনদের কর্মসংস্থানের সহযোগীতা করবে। যোগপযোগী প্রশিক্ষন প্রযুক্তির ব্যবহার সচ্ছতা জবাবদিহিতা এবং কর্যকর নেতেৃত্বের মাধ্যমে বাহিনীর অগ্রযাত্রা আরো সুদৃড় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন বাহিনীর চলমান সংস্কার কার্যক্রমের আওতায় আনসার সদস্যদের কল্যান নিশ্চিত করতে নীতিমালা ও বিধিমালা সংস্কারের উদ্বোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে উল্লেখযোগ্য ভাল কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ বাহিনীর ১৫৬জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সদস্য-সদস্যাদেরকে আনসার ও ভিডিপি’র বিভিন্ন পদকে ভূষিত করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্য উপদেষ্ঠা মন্ডলি, প্রেস সচিব , প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ আমন্ত্রিত সামরিক বেসামরিক উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্ধ এবং বাহিনীর বিভিন্ন পদবীর কর্মকর্তা কর্মচারী সদস্য সদস্যা উপস্থিত ছিলেন।