আবৃত্তি স্মৃতিচারণ এবং প্রতিশ্রুতি,দিলেন :মন্ত্রী মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ৯:৫৮ অপরাহ্ণ

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে তার সফর এবংবিগত বিশ বছরে এজনপদের মানুষের উন্নয়ন হয়নি উল্লেখ করে আবৃত্তি, স্মৃতিচারণ, এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন সরকার এজনপদের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সর্বদা সচেষ্ট , কবি গুরু সম্পর্কে বলেন সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিচরণ ছিল দৃঢ়। সারা জীবন পড়লেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে যথাযথ আবিষ্কার করা সম্ভব হবে না। শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় নওগাঁর পতিসরে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। কবিকে অসাম্প্রদায়িক উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, যে বিশেষ গোষ্ঠী রবীন্দ্রনাথকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে। কবি ছিলেন একজন দার্শনিক। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই পতিসরের কৃষকদের উন্নয়নে কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রম চালু করেছিলেন। উন্নত যান্ত্রিক কৃষি ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। কবির এই ধারণাকে ধারণ করে আমাদের সরকার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে কাজ করছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় নওগাঁ জেলা প্রশাসন আয়েজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদ। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। এছাড়া অনুষ্ঠানে নওগাঁ-৬(আত্রাই রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু এবং নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু প্রমুখ।

আবারও ফুটবল বিশ্বকাপ মাতাবেন শাকিরা

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ

দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আবারও ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছেন ল্যাটিন পপ সম্রাজ্ঞী শাকিরা। আসন্ন ২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ এর টিজার প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের চমকে দিয়েছেন শাকিরা। শাকিরার এবারের গানে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন নাইজেরিয়ান মিউজিক সেনসেশন বার্না বয়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ধারণ করা একটি টিজার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন শাকিরা। ভিডিওতে দেখা যায়, এবারের বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশ মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার জাতীয় পতাকার রঙে সেজেছেন একদল নৃত্যশিল্পী। তবে ভক্তদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচ বলগুলোর উপস্থিতি, যা মূলত এই তিন আসরে শাকিরার কালজয়ী গানগুলোর স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এবারের ‘দাই দাই’ ট্র্যাকে ল্যাটিন পপের সঙ্গে আফ্রো-বিটের এক অনন্য ফিউশন দেখা যাবে বলে জানা গেছে। শাকিরার জাদুকরী কণ্ঠ আর হিপস ডোন্ট লাই-এর সেই চিরচেনা ছন্দ এবার বার্না বয়ের সুরের সঙ্গে মিশে নতুন এক উন্মাদনা তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ১৪ মে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে পূর্ণাঙ্গ এই থিম সং। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে শাকিরা এক অবিচ্ছেদ্য নাম। ২০০৬ সালে জার্মানিতে ‘হিপস ডোন্ট লাই’, ২০১০-এ দক্ষিণ আফ্রিকায় কালজয়ী ‘ওয়াকা ওয়াকা’ এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলে ‘লা লা লা’ গেয়ে পুরো বিশ্বকে বুদ করে রেখেছিলেন তিনি। মাঝখানে বিরতি দিয়ে আবারও তার ফেরা ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা যোগ করেছে। আগামী ১১ জুন থেকে উত্তর আমেরিকায় শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ, যা চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত। ৪৮টি দলের এই লড়াকু আসরের আগে শাকিরার এই গানটিকেই ধরা হচ্ছে বিশ্বকাপের মূল কাউন্টডাউন। ১৪ মে গানটি প্রকাশের পর থেকেই ফুটবল উন্মাদনা নতুন মাত্রা পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তেলের দামে বড় লাফ, চাপে বিশ্ববাজার

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:২৩ অপরাহ্ণ

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘর্ষের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। এতে দুই দেশের নাজুক যুদ্ধবিরতিও নতুন করে সংকটের মুখে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম একপর্যায়ে ৭. ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। পরে শুক্রবার সকালে এশিয়ার বাজার খোলার পর কিছুটা কমে আসে। গ্রিনিচ মান সময় রাত ৩টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ১০১.১২ ডলার। দিনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এটি ১০৩.৭০ ডলারে পৌঁছেছিল। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলার পরে তেলের দামের নতুন এই উর্ধ্বগতি দেখা যায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার জাহাজের ওপর ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে হামলা চালায়। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা করে। অন্যদিকে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও আশপাশের আরেকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের সামরিক বাহিনী আরও দাবি করেছে, কেশম দ্বীপসহ কয়েকটি বেসামরিক এলাকাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে আছে। কারণ, বড় তেলবাহী জাহাজগুলোর ওপর সম্ভাব্য ইরানি হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ ব্যারেল তেলের ঘাটতির আশঙ্কা থেকেই বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে। এদিকে উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও। শুক্রবার বাজার খোলার পর জাপানের নিক্কেই ২২৫, দক্ষিণ কোরিয়ার কসপি এবং হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক—সবগুলোই ১ শতাংশের বেশি কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল স্ট্রিটেও নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। আগের দিন সর্বোচ্চ রেকর্ড ছোঁয়ার পর বৃহস্পতিবার এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ০.৪ শতাংশ কমে যায়। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা আদালতের

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:২১ অপরাহ্ণ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সব আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছেন ফেডারেল আদালত। একইসঙ্গে আমামলাকারীদের কাছ থেকে আদায় করা শুল্ক ফিরিয়ে দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের ক্ষেত্রে এই শুল্ক কার্যকর করা যাবে না বলেও আদেশ দেওয়া হয়। খবর আল জাজিরার। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল একটি আদালত জানিয়েছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড আইন অনুসারে এই শুল্ক আরোপের যথেষ্ট আইনি ভিত্তি নেই। আদালতের মতে, সরকারের দাবি করা বাণিজ্য ঘাটতির পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায়নি যা এই ধরনের শুল্ককে বৈধতা দিতে পারে। রায়ে আরও বলা হয়, মামলার সঙ্গে যুক্ত পক্ষগুলোর কাছ থেকে এই শুল্ক আদায় বন্ধ করতে হবে এবং আগে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতে হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত আপাতত শুধু মামলাকারীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। অন্য আমদানিকারকদের ক্ষেত্রে শুল্ক জুলাই পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। আইন অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত আমদানি শুল্ক আরোপ করতে পারেন। কিন্তু আদালত স্পষ্ট করেছে, এই মামলায় সেই শর্তগুলো পূরণ হয়নি। ফলে প্রশাসনের পদক্ষেপ আইনি ভিত্তি হারিয়েছে বলে জানানো হয়। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের হাতে বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত হয়ে এসেছে। তবে তারা বিকল্প হিসেবে দেশভিত্তিক শুল্ক আরোপের নতুন কৌশল বিবেচনা করছে। এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে।

বিজয়ের দলের ১০৭ বিধায়কের পদত্যাগের হুঁশিয়ারি

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:২০ অপরাহ্ণ

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে নাটকীয় রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দলটির হুঁশিয়ারি, ডিএমকে বা এআইএডিএমকে সরকার গঠনের দাবি জানালে টিভিকের নির্বাচিত ১০৭ জন বিধায়ক একযোগে পদত্যাগ করবেন। সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, ডিএমকে ও এআইএডিএমকের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর টিভিকের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, দুই দ্রাবিড় দল একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে, যাতে নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দলটিকে বাইরে রাখা হবে। টিভিকের দাবি, একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের সুযোগ তাদেরই প্রাপ্য। তবে বৃহস্পতিবার গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানাতে অনুমতি দেননি। তিনি বলেছেন, টিভিকের হাতে এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যা নেই। বিজয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের যে পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন, সেটিও গ্রহণ করেননি গভর্নর। সূত্র জানায়, টানা দুই দিনের বৈঠকের দ্বিতীয়টিতে গভর্নর স্পষ্টভাবে জানান, সরকার গঠনের আগে ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র জমা দিতে হবে। রাজভবনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন এখনও প্রমাণিত হয়নি।’ ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮ আসন। টিভিকে বর্তমানে ১০৭ আসন পেয়েছে। কংগ্রেসের ৫ বিধায়কের সমর্থন থাকলেও এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দূরে রয়েছে দলটি। বাকি সমর্থন নিশ্চিত করতে বাম দল ও কয়েকটি ছোট দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে টিভিকে। এদিকে রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন উঠেছে, বিকল্প সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে ডিএমকে। বৃহস্পতিবার দলের বৈঠকে চারটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মধ্যে একটি প্রস্তাবে দলীয় প্রধান এম কে স্ট্যালিনকে ‘জরুরি সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ডিএমকে বলেছে, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য নতুন নির্বাচন এড়ানো, স্থিতিশীল সরকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সুযোগ না দেওয়া।’ দলটি পরিস্থিতিকে ‘জটিল সংকট’ উল্লেখ করে ১০ মে পর্যন্ত সব বিধায়ককে চেন্নাইয়ে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছে। এনডিটিভিকে ডিএমকের শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, এআইএডিএমকে প্রধান এডাপ্পাডি কে পলানিস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী করে বাইরে থেকে সমর্থন দেওয়ার একটি সম্ভাব্য সমীকরণ নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে ডিএমকের ভেতরেও এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। উদয়নিধি স্ট্যালিনপন্থি তরুণ নেতাদের আশঙ্কা, বিজয় ক্ষমতায় এলে তিনি এম জি রামচন্দ্রনের মতো দীর্ঘ সময় রাজনৈতিকভাবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। অন্যদিকে দলটির প্রবীণ নেতারা জনরোষের আশঙ্কা করছেন। তাদের মতে, কয়েক দশকের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল একসঙ্গে সরকার গঠন করলে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এআইএডিএমকেও আপাতত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ অবস্থানে রয়েছে। দলটির একাংশ টিভিকের সঙ্গে জোটে আগ্রহী হলেও শীর্ষ নেতৃত্ব তা নাকচ করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পলানিস্বামীর সঙ্গে বৈঠকে ৪৫ জনের বেশি বিধায়ক অংশ নেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, টিভিকে ও এআইএডিএমকের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই এবং এখন ‘বিধায়ক ভাঙানোর’ প্রশ্নই আসে না। দলীয় বিধায়কদের আরও দুই দিন অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। এদিকে গভর্নরের অবস্থান টিভিকের সম্ভাব্য মিত্রদেরও ক্ষুব্ধ করেছে। ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) তামিলনাড়ু শাখা এক বিবৃতিতে বলেছে, একক বৃহত্তম দল হিসেবে টিভিকেকে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সুযোগ বিধানসভায় হওয়া উচিত। ভিসিকে নেতা থোল থিরুমাভালাভানও বলেছেন, ‘গভর্নর টিভিকের কাছে ১১৮ জনের তালিকা চাইতে পারেন না। সংবিধান অনুযায়ী তাদের সরকার গঠন করে পরে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের সুযোগ দিতে হবে।’ অন্যদিকে ডিএমকেও গভর্নরের সিদ্ধান্তকে ‘জনরায়ের প্রতি অসম্মান’ বলে মন্তব্য করেছে। অভিনেতা কমল হাসানও বিজয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

দেশে আক্রান্ত রোগী ৭০ হাজারের বেশি

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:১৭ অপরাহ্ণ

দেশে বংশগত রক্তরোগ থ্যালাসেমিয়া রোগী দিনদিন বাড়ছে। ৮ বছরে বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি। প্রতিবছর ৬ থেকে ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে ৭০ হাজারের বেশি থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগী রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোগটি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে সারা বিশ্বের মতো আজ দেশে পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬’। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য-‘আর নয় আড়ালে : শনাক্ত হোক অজানা রোগী, পাশে দাঁড়াই অবহেলিতদের’। এদিকে দিবসটি উপলক্ষ্যে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। রক্তরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেন, মানবকোষে রক্ত তৈরি করার জন্য দুটি জিন থাকে। কোনো ব্যক্তির রক্ত তৈরির একটি জিনে ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া বাহক বলে। আর দুটি জিনেই ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া রোগী বলে। তবে সব বাহকই রোগী না। শিশু জন্মের এক থেকে দুই বছরের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগ ধরা পড়ে। এই রোগের লক্ষণগুলো হলো-ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘনঘন রোগ সংক্রমণ, শিশুর ওজন না বাড়া, জন্ডিস, খিটখিটে মেজাজ প্রভৃতি। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার মমতাজ জাহান কলি বলেন, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের নিবন্ধিত রোগী ছিল ২ হাজার ৭২৫ জন। ২০১৯ সালে ৩ হাজার ৯৮ জন, ২০২০ সালে ৩ হাজার ৪১৬ জন, ২০২১ সালে ৪ হাজার ৯৪১ জন, ২০২২ সালে ৬ হাজার ৫৫ জন, ২০২৩ সালে ছিল ৭ হাজার ২২ জন এবং ২০২৪ সালে ৭ হাজার ৫১১ জন। ২০২৫ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৪৬ জন রোগী পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতিবছর ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। যাদের চিকিৎসায় বছরে ৩৬ হাজার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় মাত্র ১৮ শতাংশের জোগান দেওয়া সম্ভব হয়। একজন রোগীর চিকিৎসা বাবদ মাসে কমপক্ষে ১৩ হাজার টাকা খরচ হয়। বিশ্বের ১.৫ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া বহন করছে। অর্থাৎ ৮ থেকে ৯ কোটি মানুষ এই রোগের বাহক। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব ৩ থেকে ১০ শতাংশ। অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, দেশের ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক, যা মোট জনসংখ্যার ১১.৪ শতাংশ। ২০১৪-১৫ সালে বাংলাদেশে ৭ থেকে ৮ শতাংশ মানুষ এ রোগের বাহক ছিল। গ্রামাঞ্চলে থ্যালাসেমিয়ার বাহক ১১.৬ এবং শহরে ১১.০ শতাংশ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, থ্যালাসেমিয়া বাহকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রংপুরে ২৭.৭ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজশাহীতে ১১.৩ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা চট্টগ্রামে ১১.২ শতাংশ। এছাড়া ময়মনসিংহে ৯.৮, খুলনায় ৮.৬, ঢাকায় ৮.৬, বরিশালে ৭.৩ এবং সিলেটে সবচেয়ে কম ৪.৮ শতাংশ। ১৪ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের মধ্যে এই বাহক রয়েছে ১১.৯ শতাংশ, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সিদের ১২ শতাংশ, ২৫ থেকে ২৯ বছর বয়সিদের ১০.৩ শতাংশ এবং ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ১১.৩ শতাংশ। ব্লাড ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক বলেন, একজন থ্যালাসেমিয়া বাহক আরেকজন বাহককে বিয়ে করলেই শিশু থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের শনাক্তকরণের পদ্ধতিটাই এখন ভুলভাবে হচ্ছে। রোগটি নির্ণয়ের টেস্ট যদি এসএসসি কিংবা এইচএসসি পরীক্ষার সময় বাধ্যতামূলক বা উৎসাহ দিয়ে করা যায়, অথবা প্রসূতি নারীদের এন্টিনেটাল কেয়ারের (এএনসি) সময় মা থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, সেটা জানা যাবে। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য সরকারি হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। সবকিছু হচ্ছে অটোলোগাস, অর্থাৎ আক্রান্ত নিজেরই বোনম্যারো দিয়ে নিজেরটা সারানোর চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু ট্রান্সপ্লান্টের মূল সাফল্য হলো এলোজেনিক ট্রান্সপ্লান্ট, সেটা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত থ্যালাসেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে করতে পারিনি। এই ধরনের রোগীর আসলে বেঁচে থাকার সুযোগ কম। একই সঙ্গে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশু সরকারি হাসপাতালে ডে-কেয়ার ভিত্তিতে ট্রান্সমিশন নিতে পারে। সেবা দেওয়া হয় দিনে। ফলে এসব শিশু স্কুল থেকে ঝরে পড়ে। সরকারি ডে-কেয়ারে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা ট্রান্সফিউশন সেবা রাখা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধযোগ্য। বাহকদের মধ্যে বিয়ে বন্ধ করে সাইপ্রাস, ইতালি ও গ্রিসের মতো দেশ থ্যালাসেমিয়া রোগী প্রায় শূন্যে নামিয়ে এনেছে। সঠিক চিকিৎসা ও পরিচর্যা পেলে থ্যালাসেমিয়া রোগী সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে। এই রোগের চিকিৎসায় সরকারকে ভর্তুকি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা। এদিকে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন মালিবাগ কার্যালয়ে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি, মেডিকেলের হেমাটোলজি বিভাগসহ বিভিন্ন ব্লাড ব্যাংক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করবে।

অধিকার আদায়ে মব করতে রাজি: সর্বমিত্র চাকমা

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:১৬ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যদি মব করতে হয় তাহলে আমরা রাজি। শুক্রবার (৮ মে) ভোরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। ফেসবুক পোস্টে ডাকসুর এই নেতা লেখেন, গতকাল সিন্ডিকেট মিটিংয়ে ডাকসুকে ব্যর্থ করার অপচেষ্টা নিয়ে অনেক কথা বলেছি। এক অফিস থেকে আরেক অফিসে দৌঁড়াই কিন্তু কাজ আটকে থাকে, আমরা ডাকসু থেকে এক টাকা বেতন পাই না, নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছি, স্রেফ শিক্ষার্থীদের জন্য। সর্বমিত্র লেখেন, আমাদের এ আন্দোলনে স্বশরীরে উপস্থিত না থাকলেও হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সমর্থন রয়েছে। শিক্ষার্থীরা নানাভাবে দিনের পর দিন ভোগান্তির শিকার। ভিসি স্যার আমাদের যৌক্তিক দাবির আন্দোলনকে সরাসরি ‘মব’ বলে অভিহিত করেন। সেই প্রেক্ষিতে আমি বলেছি , ‘স্যার, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে, শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যদি মব করতে হয় তাহলে আমরা রাজি।’ কারণ উল্লেখ করে তিনি লেখেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে দিনের পর দিন কাজ আটকে রাখে, ডাকসু ফান্ড আনলেও কাজ আটকে দেয়। এদিকে আমাদের কিচ্ছু করার থাকে না। দিনশেষে শিক্ষার্থীদের থেকে কথা শুনতে হয় আমাদের, তারা তো আর ট্রেজারারের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ দেখেনি। ডাকসুর এই নেতা লেখেন, আজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। কারণ, প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে, সিস্টেম মেনে আমাদের অধিকার আদায় হচ্ছে না বরং সুপরিকল্পিতভাবে আমাদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। শুধু আদর্শিক দ্বন্দ্বের কারণে ডাকসুকে ব্যর্থ করতে তারা পুরো চল্লিশ হাজার শিক্ষার্থীকে ভোগান্তিতে ফেলছে। তারপর, আমরা প্রতিবাদ করলে সেটা মব হয়ে যায়।

জাতিসংঘে নিরাপদ অভিবাসনে জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ মে ৮, ২০২৬ | ১২:১৫ অপরাহ্ণ

অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ, অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতা জোরদার এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৮ মে) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ‘whole-of-government and whole-of-society’ পদ্ধতির মাধ্যমে জবাবদিহিতা জোরদার করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারিত করছে। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স গঠন এবং ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী জানান, প্রথম আইএমআরএফে দেওয়া ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দিয়েছে এবং দুটি আঞ্চলিক উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের একটি ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার আহ্বান জানান। মন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।