ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল মো. আউয়াল হোসেনের বিরুদ্ধে দখল বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ডিএসসিসি’র জায়গা, ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়ি-মার্কেট, ওয়াকফ এস্টেট, এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও দখল করেছে আউয়াল ও তার বাহিনী। এদের দখলে থাকা জায়গার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় শত কোটি টাকা। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই তার ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খক্ষ।
সংশ্লিষ্টদের আরও অভিযোগ-স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এলাকায় বিচার-সালিশ করতে আউয়ালের রয়েছে নিজস্ব ‘পঞ্চায়েত কমিটি।’ কাগজে-কলমে গঠিত এই কমিটি বিচার কাজ পরিচালনা করেন ‘আউয়াল স্টাইলে’।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলেছেন, ‘রক্ষক যখন ভক্ষক’ হয়ে ওঠে তখন মানুষকে পোহাতে হয় সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশা। আউয়াল ও তার বহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্যের অভিযোগ থাকলেও তারা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনকে স্থানীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা করতে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ায় আউয়াল দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ আছে খোদ ডিএসসিসি’র মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের কাছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের দ্বারস্থও হয়েছেন। আউয়ালকে কাউন্সিলর পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মন্ত্রীর কাছে ‘গণপিটিশন’ জমা দিয়েছেন তারা।
সরেজমিন অনুসন্ধান, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য ও আউয়ালের অপকর্ম তুলে ধরে বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া অভিযোগের নথি থেকে উল্লিখিত সব তথ্য জানা গেছে।
প্রচলিত আইনের পাশাপাশি পঞ্চায়েত কমিটি গঠন করে বিচার-সালিশের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (লালবাগ) জাফর হোসেন বলেন, ‘পঞ্চায়েত কমিটির বিচার সালিশের নামে ফৌজদারি অপরাধ ধামাচাপা ও টাকা-পয়সা আদায় আরেক ধরনের অপরাধ। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার প্রতি হস্তক্ষেপ করে যদি কেউ টাকা-পয়সা আদায় করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।’ ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিললের গঠিত পঞ্চায়েত কমিটি এ ধরনের কাজে লিপ্ত থাকার বিষয়টি জানেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা আমাদের কাছে এমন অভিযোগ নিয়ে আসলে আমরা অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেব।’
জানতে চাইলে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আউয়াল হোসেন বলেন-‘পারিবারিক ঝামেলা, মারামারি, জায়গা-জমি ও ফ্ল্যাট নিয়ে বিরোধের ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করলে পঞ্চায়েত কমিটি বিচার করে দেয়। তবে বিচারের নামে টাকা-পয়সা নেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। ১০৬ মাজেদ সরদার রোডে সিটি করপোরেশনের ১২ কাঠা জায়গায় আশার আলো স্কুল দখল হয়নি। ওই জায়গায় ব্যক্তিমালিকানায় প্ল্যান পাশ করে একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।’
সিটি করপোরেশনের জায়গায় কীভাবে ব্যক্তিমালিকানায় প্ল্যান হয়-এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যিনি চুক্তি করেছেন তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তবে সেখানে কারখানা ভাড়া ও বাজার বসিয়ে টাকা তোলার বিষয়টি ঠিক নয়।’ সিটি করপোরেশনের অন্যান্য জায়গা দখল করে দোকান ভাড়া বাণিজ্যের অভিযোগও মিথ্যা।’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভাড়া ও মেলা বসিয়ে চাঁদা তোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্কুল বন্ধ তাই মেলা বসানো হয়েছিল। ঈদের ছুটিতে এলাকাবাসীর বিনোদনের জন্যই এটা করা হয়েছিল।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নোকি হোসাইন তার জায়গা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে আমি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছি।’
রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল, আগা সাদেক রোড, নবাব কাটরা, নেকী দেউরী, বিকে গাঙ্গুলী লেন, সিক্কাটুলী, মাজেদ সরদার রোডসহ আশপাশের এলাকা সরেজমিন আউয়াল ও তার বাহিনীর সদস্যদের দখল বাণিজ্যের ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে। ৫০ আগা সাদেক রোডে অবস্থিত বায়তুল ইজ্জত মসজিদ। এর পাশেই একটি মাদ্রাসার সাইনবোর্ড।
সেখানে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি জানান, মাদ্রাসার সাইনবোর্ড তুলে আড়ালে সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন ৫ কাঠা জায়গা দখলে নিয়েছেন আউয়াল। এই জায়গার দাম অন্তত ১০ কোটি টাকা। এখানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বানিয়ে ভাড়া দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
১০৬ মাজেদ সরদার রোডে গিয়ে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ১২ কাঠা জায়গায় ছিল আশার আলো স্কুল। সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রে দেখা গেছে, ঢাকা সিটি জরিপের ১৯নং খতিয়ানের ৩১১৭ দাগের ১৮৭৬ অযুতাংশ বা প্রায় ১২ কাঠা জায়গা সিটি করপোরেশনের নামে রেকর্ডকৃত। এই পুরো জায়গাটি এখন আউয়ালের কব্জায়। অন্তত ২৫ কোটি টাকা দামের এই জায়গার পেছন দিকে নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরির কারখানাসহ বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র শিল্পকারখানা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। আর সামনের দিকে বাজার বসিয়ে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করা হচ্ছে অন্তত ৩০ হাজার টাকা। সরকারি সম্পদ আত্মসাৎ করে কারখানা ভাড়া ও বাজারের চাঁদা হিসাবে মাসে অন্তত ১০ লাখ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকার লোকজন।
বাংলাদেশ মাঠেও বাজার বসিয়ে চাঁদা তুলছে আউয়াল বাহিনী। বাংলাদেশ মাঠের দক্ষিণ পাশে আরবান হেলথ সেন্টারসংলগ্ন সিটি করপোরেশনের ২ কাঠা জায়গা আউয়ালের দখলে। ৪ কোটি টাকা দামের এই জায়গায় ৫টি দোকান তুলে চলছে ভাড়া বাণিজ্য।
বাংলাদেশ মাঠের পূর্বপাশে ওয়াসা পাম্পসংলগ্ন ১ কাঠা জায়গায়ও দেখা গেছে দখলের ছাপ। সেখানে ২টি দোকান বানিয়ে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। সিক্কাটুলী মসজিদের উত্তর পাশে ৪ কোটি টাকা দামের ২ কাঠা জায়গা দখলে নিয়ে রিকশা গ্যারেজ ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে ভাড়া তোলেন আউয়াল বাহিনীর সদস্য রমজান। মিক্কাটুলী মসজিদের দক্ষিণ পাশে দখলের জায়গায় ছয়টি দোকান ভাড়া দিয়ে মাসে আদায় করা হচ্ছে অন্তত ৬০ হাজার টাকা।
৫০ আগা সাদেক রোডে সরকারি সম্পত্তি (৮ কাঠা, ইসি কেস নং ৮১০/৬০) দখলে নিয়ে বহুতল ভবন তৈরি করছেন আউয়াল। এই জায়গার বর্তমান দাম অন্তত ২০ কোটি টাকা। সরকারি সম্পত্তি দখল ও কোটি কোটি টাকার ভাড়া বাণিজ্যের সঙ্গে ডিএসসিসির সম্পত্তি বিভাগের অসৎ কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ আছে। প্রতি মাসে ভাড়া হিসাবে আদায় করা অর্থের একটি অংশ তাদের পকেটে যায়। এ কারণে সব জানা থাকলেও অবৈধ দুখলমুক্ত করতে তারা উদ্যোগ নেন না।
জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তি স্বার্থে ভোগ দখল করার কোনো সুযোগ নেই। মেয়র মহোদয়ের নলেজে আনলে তিনি কাউকে ছাড় দেবেন না।’
এলাকার ভুক্তভোগীদের বক্তব্য-শুধু সরকারি সম্পত্তি নয়, ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়ি-জায়গা, ওয়াকফ এস্টেট ও স্কুল দখল করেছেন কাউন্সিলর আউয়াল। ৮২ আগা সাদেক রোডে ২ কাঠা জমি দখলে নিয়েছেন তিনি। চার কোটি টাকা দামের এই জায়গায় নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার দাদা এই জায়গা ওয়াকফ করে দেন। ওয়াকফ এস্টেট আমার বাবাকে মোতয়াল্লি নিয়োগ করেন।
এক বছর আগে হঠাৎ আওয়ামী লীগের কার্যালয় স্থাপনের জন্য সাইনবোর্ড তুলে জায়গাটি দখলে নেন আউয়াল ও তার লোকজন। থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা, জিডি কিংবা অভিযোগ পর্যন্ত নেয়নি। পরে মেয়রের কাছে অভিযোগ করলে তিনি জায়গাটি দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। তখন আওয়ামী লীগ অফিসের সাইনবোর্ড নামিয়ে পঞ্চায়েত কমিটির নামে দখল বজায় রেখেছে। ওই জায়গায়ও ভাড়া দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ পলিথিন কারখানা।’
জানা গেছে, মৌলভী বাজারে অবস্থিত নাজির উদ্দিন মার্কেটের মালিক হাজি মো. রিয়াজ উদ্দিন ও তার ওয়ারিশরা। এই মার্কেটের বাজার মূল্য অন্তত ৬০ কোটি টাকা। রিয়াজের ভাগের অংশের দাম ২০ কোটি। রিয়াজের অভিযোগ, কাউন্সিলর আউয়াল ও তার ক্যাডার বাহিনী তাকে মারধর করে ক্যাশবাক্স লুট করেছে। তাকে দোকান থেকে বের করে দিয়ে তার অংশ দখলে নিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অন্তত ৫টি সাধারণ ডায়েরি ও একটি মামলা আছে। মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন।
৪৬ আলী নেকী দেউড়ির চার কাঠা জায়গার মালিক মির্জা নাকী হোসাইন। দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে তিনি বলেন, ‘জায়গাটি বাড়ি তৈরির জন্য রিয়েল সিটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছি। কাউন্সিলর আউয়াল হঠাৎ ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তা সেজে পুরো বাড়িই গিলে খাচ্ছে। আমার ভাগের ১০টি ফ্ল্যাটের একটিও বুঝিয়ে দেয়নি। এগুলোর বাজার মূল্য অন্তত সাড়ে চার কোটি টাকা। এ ঘটনায় করা মামলা সিআইডিতে তদন্তাধীন। সাধারণ ডায়েরি আছে থানায়। এছাড়াও ৬২/২ আগা সাদেক রোডের বাসিন্দা আবু সাঈদ ভুট্টো তার বাড়ি দখলের অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগীরা এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, কাউন্সিলর আউয়ালের ছত্রছায়ায় এলাকায় সক্রিয় ২০-২৫ জনের ক্যাডার বাহিনী। এরা আউয়ালের লোক হিসাবে চাঁদাবাজি, দখল বাণিজ্যেসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িত। এদের প্রায় সবার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও আছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা আব্দুল আউয়াল মানিকের নেতৃত্বে বেপরোয়া এ ক্যাডার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছে-নাইম ওরফে পিস্তল নাইম, আজগর, আতাউর, জাবেদ, দিলদার, ইব্রাহীম, রানা, চাচা মনসুর, বাউনা ফারুক, সোহেল, বাবলা ও আরিফ ওরফে বাঙ্গাল আরিফ। এছাড়াও আছে মাজেদ সরদার রোডের হারুন ওরফে গালকাটা হারুন, আরজু, আগামাসি লেনের চঞ্চল, কাদের, আবুল হাসনাত রোডের জাহেদ, নিয়ামত, শুক্কুর ও মামুন।
জানা গেছে, ২৫ আগা সাদেক রোডে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিদ্যালয়। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য এই স্কুলটি ভাড়া দেন কাউন্সিলর আউয়ালের লোকজন। এতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ নেই বললেই চলে। ঈদের দিন থেকে এই স্কুলে মেলা বসিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন আউয়াল ও তার লোকজন। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকবর হোসেনের মোবাইল ফোনে কল করে স্কুল ভাড়া দেওয়া ও স্কুলে মেলা বসানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
আরও জানা গেছে, সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন মাজেদ সরদার কমিউনিটি সেন্টারটি বার্ষিক চুক্তিতে একটি ডেকোরেটর কোম্পানির কাছে লিজ দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আউয়াল। ওই ডেকোরেটরকে ছাড়া সেখানে এখন কেউ কোনো সামাজিক অনুষ্ঠান করতে পারেন না। এছাড়াও ফুলবাড়িয়ার তিনটি মার্কেট দখলের পাঁয়তারা করছে আউয়াল বাহিনী।
দখলে বাধা দেওয়ায় জাকের সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফিরোজ আহমেদকে হত্যাচেষ্টাও চালায় আউয়াল ও তার ক্যাডার বাহিনী। আলোচিত এই হত্যাচেষ্টা মামলায়ও আউয়াল প্রধান আসামি। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীরা আউয়ালের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, মিছিল ও মেয়রের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। কিন্তু কোনো সুরাহা না পেয়ে ভুক্তভোগীরা ২৮ মার্চ জনবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ এনে আউয়ালকে কাউন্সিলর পদ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলামের কাছে গণপিটিশন জমা দিয়েছে। পিটিশনে আউয়াল ও তার বাহিনীর দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এ খবরে আউয়াল আরও ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়রের নাম ভাঙিয়ে মার্কেট দখলে পাঁয়তারা ও ব্যবসায়ীদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।