উত্তরাঞ্চলের প্রাণ শিক্ষা নগরী রাজশাহীর
আগামী ২১ জুন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও ৩০টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা নির্বাচনী গণসংযোগ অব্যহত রাখতে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন, আশ্চর্য্য বিষয় কিছু কিছু ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী টাকার ব্যাবহার শুরু করে দিয়েছেন অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে।সব মিলিয়ে বলা যায় রাজশাহী সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের হাওয়া বইছে। নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে নগরীর পাড়ামহল্লা, চায়ের স্টলে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। গুঞ্জন চলছে কে কে হচ্ছেন মেয়র প্রার্থী, আর কে হচ্ছেন সংরক্ষিত ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে জোর আলোচনাও।
এরইমধ্যে রাসিকসহ ৫ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা হয়েছে। বিতরণ শুরু হয়েছে মনোনয়নপত্রও। বৃহস্পতিবার (২৭এপ্রিল) থেকে রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন অফিস মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে গত দুইদিনে রাজশাহীর আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে মেয়র বা কাউন্সিলর পদে কেউ মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন নি। সামনে বেশ কিছু দিন সময় বাকি থাকায় সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র উত্তোলনে একটু সময় নিচ্ছেন বলেও নির্বাচন কর্মকর্তারা মনে করছেন।
রাসিক নির্বাচনের রিটার্নিং ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, আমরা ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছি। বৃহস্পতিবার থেকে রাসিক নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। তবে কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন নি। তিনি বলেন, এখনো অনেক সময় বাকি রয়েছে। যার কারণে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাড়াহুড়ো না করে অনেকটা সময় নিয়ে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করবেন এমনটাই চিন্তা ভাবনা করছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন অফিস সব সময় প্রার্থীসহ সকলের জন্য উম্মুক্ত করে রাখা হয়েছে। প্রার্থীরা চাইলে যেকোনো সময় এসে মনোয়নপত্র উত্তোলন করতে পারবেন। তবে প্রার্থীদের মানতে হবে নির্বাচনী আচারণবিধি। কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনী আচারণ বিধি লঙ্ঘন করা যাবে না।
এবার রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ জন ভোটার ভোট দিবেন। এরমধ্যে নতুন ভোটার ৩০ হাজার ১৫৭ জন। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭১ হাজার ১৮৫ জন এবং নারী ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে ৩০ হাজার ১৫৭ জন তরুণ-তরুণী প্রথম ভোট দিবেন। গত বছর ভোটার সংখ্যা ছিলো ৩ লাখ ২২ হাজার। এবার সম্ভাব্য ১৫২ টি ভোটকেন্দ্রের ১১৭৩ টি কক্ষে ইভিএমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২১ মে নমিনেশন দেয়া শুরু হবে। ২৩ মে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময়। এছাড়া ২ জুন প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
সরজমিনে অনুসন্ধান করে দেখা যায়।প্রতিটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীরা,বিশেষ করে সরকারী দলের কাউন্সিলর টিকিট নেবার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন।কারণ বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহন না করলে ফাঁকা মাঠে গোল করার সুযোগ পাবেন।