সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেছেন, আমি আপনাদের পাশে ছিলাম আছি থাকব ইনশাআল্লাহ। দোহার-নবাবগঞ্জবাসীর যেকোনো দুর্যোগে পাশে আছি। দেশের এই ক্রান্তিকালে আপনাদের সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
রোববার সকাল ১০টায় নবাবগঞ্জে উপজেলার বাগমারা কোর্ট প্রাঙ্গণে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণের আগে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলতে কিছু নেই। প্রত্যেকে এই দেশের নাগরিক। তাই দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার কোনো ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি না দেখানোর আহবান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে এলাকায় সবাই মিলে সহাবস্থানের আহবান জানাচ্ছি। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সবার সহযোগিতার বিকল্প নেই। প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।
নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতারা বলেন, নুরুল ইসলাম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আদর্শ দেশপ্রেমিক। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে বেকার সমস্যা দূরীকরণে অনেক শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠা করেছেন। দেশকে ভালোবেসে বিদেশের মাটিতে বাড়ি-গাড়ি কলকারখানা স্থাপনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি তা করেননি। এত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েও তিনি কখনো ঋণখেলাপি ছিলেন না। দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলাকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগে উন্নত এবং বেকারত্ব মোচনে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে শিল্পকারখানা স্থাপনের নানামুখী উদ্যোগ নিয়ে ছিলেন; কিন্তু বিধাতা তার সব স্বপ্নপূরণ করার সুযোগ হয়তো তাকে দেননি। আজকের এই দিনে স্বপ্নদ্রষ্টার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। তার অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে তার সহধর্মিণী সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ঐকান্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তারা বলেন, যমুনা গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলার মানুষের আবেগের নাম। আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করি। তিনি এই এলাকার মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা কর্মবীর মানুষ। তিনি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একের পর এক শিল্প কারখানা গড়েছেন। বেকারত্ব দূর করে অর্থনীতির চাকা চাঙা করার জন্য তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করে গেছেন। শুধু তাই নয়, নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কলাকোপা, যন্ত্রাইল, বাহ্রা, বক্সনগর ইউনিয়নে সহস্রাধিক সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের মাঝে ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নুরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের প্রকল্প প্রধান তোফায়েল গাজালী, নবাবগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির জুয়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক এমএ মজিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, উপদেষ্টা মো. টিপু, নয়নশ্রী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রিপন মোল্লা, কলাকোপা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি কেরামত মাতব্বর, সাধারণ সম্পাদক আরশাদ আলী, জাতীয় পার্টি নেতা তসলিম, মন্টু আব্দুল, মহিউদ্দিন, বক্সনগর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আক্তার মেম্বার, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দীন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক শুভ্র তালুকদার, জাতীয় পার্টির নেত্রী লুৎফা আক্তার, নান্টু, মুকবুল, আসাদ, রফেজ, নয়নশ্রী ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সভাপতি শেখ ওয়াসিম, সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।