মুন্সীগঞ্জে জমি দখলে নিতে বাপ-ছেলেকে পেটালো প্রতিপক্ষ।

প্রকাশিতঃ আগস্ট ১৩, ২০২৪ | ৯:০৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকন্ঠ পঞ্চসার ইউনিয়নের মালির পাথর গ্রামে জমি দখলে নিতে জমির মালিক ও তাঁর ছেলেকে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষ। মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে পঞ্চসার ইউনিয়নের মালিপাথর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন, হাজী মো.আওলাদ হোসেন মাদবর(৫০ ) ও তার ছেলে ৭ম শ্রেণীর ছাত্র মো.জিদান (১৩)। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত একই গ্রামের মো.শাহজালাল মাদবর (৭০)।ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, প্রায় ১০ বছর আগে আওলাদ হোসেন তার প্রতিবেশী আব্দুল মোতালের কাছ থেকে ৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সে জমি দখল বুঝিয়ে দেওয়ার পর কয়েক বছর আগে মোতালেব মারা যান। মোতালেব মারা যাওয়ায় জায়গা নিজের দাবি করে মোতালেবের বড় ভাই শাহাজালাল প্রায় সময় আওলাদ মাদবরকে ভয়-ভীতি দেখাতো। তাদের জায়গা দখল নেওয়ার চেষ্টা করত।এ নিয়ে গত (৩ জুন) পঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বিচার সালিশ হয়। আওলাদ হোসেনদের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে বিষয়টি মেনে নেননি শাহজালাল গং রা। মঙ্গলবার আওলাদ তার জায়গা থেকে গাছ কাটতে গেলে শাহজালালরা হামলা চালিয়ে আওলাদ ও তার ছেলেকে পিটিয়ে আহত করে।আওলাদ হোসেন মাদবর বলেন, শাহজালালরা আমার জায়গা দখল করতে চায়। দেশের এ দুর অবস্থার সময় সুযোগটা কাজে লাগাতে চেষ্টা করছে সে।আমার জায়গায় নিরাপদে যেতে চাইলে শাহজালালরা পাঁচ লাখ টাকা দিতে বলে। আমি তাতে রাজি হইনি। আজ জায়গা থেকে একটি গাছ কাটতে গিয়ে ছিলাম। এ সে সময় জায়গাটি দখলের উদ্দেশ্যে শাহজালাল, তার ছেলে রিপু, ভাই আবুল কালাম, আবুল কালামের ছেলে আব্বাস, খালেকরা আমাকে বেধরোক পেটায়। আমার ছেলেটাকেও পেটায়। মারধর করে গলা থেকে স্বর্ণের চেইন, পকেট থেকে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে শাহজালালরা চলো যায়। আমি ঘটনাটি সেনাবাহিনীকে জানিয়েছি।তবে মারধরের ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন মো. শাহজালাল। তিনি বলেন, আওলাদ ও তাঁর ছেলে উল্টো আমাদের মেরেছে। জায়গা নিয়ে ইউপি কার্যালয়ে অভিযোগ চলমান আছে। এ জায়গা থেকে একটি পাতা ছেঁড়াও নিষেধ ছিলো। তারা আমাকে সহ আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকেও মারপিট করেছেন।তবে পঞ্চসার ইউপি সচিব মো.রুহুল আমিন সবুজ বলেন, জমির বিষয়টি নিয়ে শাহজালাল পক্ষ ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে অভিযোগ করেছিলেন। আমরা ও আমাদের জনপ্রতিনিধিরা সমস্ত কাগজপত্র দেখেছি। আওলাদ পক্ষের মধ্যে কোন ত্রুটি ছিল না। আমরা আওলাদ হোসেনকে বিধি মোতাবেক তার জমি বুঝিয়ে দিয়েছি। শাহজালালের বিরোধ ছিল তার ভাইবোনদের সঙ্গে, তাকে তার ভাইবোনদের সঙ্গে বুঝতে বলা হয়েছিল।